চরফ্যাসনে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের

প্রকাশিত: ১১:২৭ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৮ | আপডেট: ১১:২৭:অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৮
চরফ্যাসনে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের

চরফ্যাসন উপজেলার ৬৫ নং মায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহার শিরিন মাদকাসক্ত সন্ত্রাসীর হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নিকটাত্মীয় মেহেরুন নেছা রুনুর বাসায় বেড়াতে গেলে সেখানেই তিনি এই সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন।

রোববার সকালে হামলাকারী মাদকাসক্ত সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবিরকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হুমায়ুন কবির চরফ্যাসন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মৃত এডভোকেট মহিবুল্ল্যাহ মিয়ার ছেলে।

চরফ্যাসন থানার ওসি ম. এনামুল হক জানান- সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এদিকে শিক্ষিকার উপর হামলাকারী সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে চরফ্যাসন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি আজ সোমবার সকাল ৯টায় পৌর সদরে মানববন্ধন কর্মসূচী ও বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়- শনিবার বিকেলে হুমায়ুন কবির ধারালো অস্ত্র নিয়ে মেহেরুন নেছা রুনুর বাসায় গিয়ে সেখানে নুরুন্নাহার শিরিনের উপর হামরা করে। হামলাকারী শিক্ষিকাকে মারধরে করে হত্যার হুমকী দিয়ে তার কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্প ও একটি চেকের পাতায় স্বাক্ষর নিয়ে নির্বিঘ্নে চলে যায়।

চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষিকা নুরুন্নাহার শিরিন জানান- পারিবারিক প্রয়োজনে ২০১৪ সনে তিনি হুমায়ুন কবির থেকে ১ লাখ টাকা ধার নেন। নির্ধারিত সময়ের পর ধার পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রতি মাসে ১ লাখ টাকার সুদ পরিশোধ করে আসছেন। এ পর্যন্ত তিনি ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরও হুমায়ুন কবির সুদাসলে তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা পাওনা বলে দাবী করে আসছেন। তার দাবীকৃত ওই টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করলে হুমায়ুন কবির ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা ও মারধর শেষে তার কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্প এবং চেকের পাতায় স্বাক্ষর নিয়ে পালিয়ে যায়।