চরফ্যাসনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক দূর্নীতির অভিযোগ

এম আবু সিদ্দিক এম আবু সিদ্দিক

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৬:২৬ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০১৯ | আপডেট: ৬:২৬:অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০১৯
চরফ্যাসনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক দূর্নীতির অভিযোগ

ভোলার চরফ্যাসন ফাতেমা মতিন ডিগ্রী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক দূর্নীতির অভিযোগে সংবাদ সম্মলন করেছেন তার সহকর্মীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে চরফ্যাসন প্রেসক্লাবে সুস্পষ্ট অভিযোগ লিখিতভাবে পাঠ করেন উক্ত কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ফারুক।

বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, মহিলা কলেজে অনার্স কোর্সের চালুর জন্যে ৮টি বিষয়ে মোট ৪০জন প্রভাষক শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়ার সিন্ধান্ত হয়। অধ্যক্ষ মো. হোসেন আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১০/১২লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। এতে শিক্ষককদের দাবী ৪০জন শিক্ষক কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা বাণিজ্য করেন। উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র রয়েছে মহিলা কলেজ।

এ কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এইচএসসি ও ডিগ্রী পরীক্ষার আয় ব্যয় হিসাব মূল কলেজের সাথে যুক্ত করার সিন্ধান্ত ছিল। তা সংযুক্ত না করে অধ্যক্ষ নিজ ইচ্ছা মতে ২/৩জন মতামতের ভিত্তিতে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে থাকেন। উম্মাুক্ত পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০ থেকে ১২হাজার টাকা আদায় করে আত্মসাত করেন। এ ছাড়াও অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন ভূয়া টিউটর বানিয়ে নামে বেনামে বিভিন্ন উপায়ে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন।

কলেজে বছরে মোট ৮টি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই সকল পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ বিহীন তার ইচ্ছে মত বিধিভর্হিভূত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তার মুখের রাজনীতির হুমকী অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে বেড়ায়। এতে তার ভয়ে ২০০৯সাল থেকে এই যাবৎ কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। অভিযোগের পাহাড় হয়ে যাওয়ায় শিক্ষক কর্মচারীরা কলেজের স্বার্থে দূর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধের জন্যে এ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন বলেন, গত বছর ভোলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসাবে আমি নির্বাচিত হই এবং আমার প্রচেষ্ঠায় ২০১৯ সনে বরিশাল বিভাগে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসাবে এই কলেজটি স্বীকৃতি লাভ করে। আমার বিরুদ্ধে সহকর্মীদের সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যেমূলক বলে দাবী করেন।