সম্পর্কের ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা আওয়ামী লীগের

প্রকাশিত: ৮:৫০ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৫০:অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০১৯
সম্পর্কের ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা আওয়ামী লীগের

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো দেশটির ক্ষমতায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। পুনরায় ক্ষমতায় আসায় বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়েছে ক্ষমতসীন আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ নেতারা আশা করছেন, ভারতের নতুন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের সরকার ও আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ভালো থাকবে, সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি তিস্তার পানি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও কানেকটিভিটির সার্বিক বিষয় আরও পর্যবেক্ষণ করে সমাধান হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধাশীল। জন রায়কে সব সময় আওয়ামী লীগ সাধুবাদ জানায়। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাসী। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে। দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় যাবে।

আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক কূটনীতিক মোহাম্মদ জমির বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে অভিনন্দন পাঠানো হয়েছে। গত ৫ বছরের মধ্যে দুটি বিরাট সমস্যার সমাধান হয়েছে। এর একটি হলো ছিটমহল, অন্যটি বঙ্গোপসাগরে সীমনা নির্ধারণ। এই দুটির পরে কনেকটিভিটির জন্য আমরা বলেছি।

তিনি বলেন, এ ব্যাপরে বিবিআইএনের (বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া ও নেপাল) একটা সমীক্ষা করা হয়েছিল। যেখানে বাংলাদেশ, নেপাল ও ইন্ডিয়া একত্রিত হয়ে কনেকটিভিটির প্রসার ঘটাচ্ছে। ভুটান বলছে, আপাতত বিবিআইএনের সদস্য না হলেও সঙ্গে থাকবে।

জমির বলেন, ‘এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ওনার শাসনামলে সব সমস্যার সমাধান হবে। আমাদের সঙ্গে ভারতের আরও একটি-দুটি সমস্যা রয়েছে। একটা তিস্তার পানি সমস্যা। আরেকটা বাণিজ্য বিনিয়োগ-সংক্রান্ত। এখন সার্বিকভাবে আমাদের বিষয়গুলো দেখতে হবে, বুঝতে হবে। দেখা যাক কতদূর এগোয়।’

আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ বলেন, ভারতে যেই সরকারই আসুক না কেন তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গত মেয়াদেও ছিল, আবারও বিজয়ী হচ্ছে। তাদের সঙ্গে অতীতেও সুসম্পর্ক ছিল। আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে।

দলের উপ-দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে, শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের জনগণের নৈকট্য রয়েছে। মোদির নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। সেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবার আরও বেগবান ও জোরদার হবে।